1. info@www.skytvnews24.com : Sky TV News 24 :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

ভোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ, স্বাস্থ্য বিভাগেরও রয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

এইচ এম জাকিরঃ ভোলায় ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমন। গেলো ২৪ ঘন্টায় জেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। এরমধ্যে সদরের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষসহ ২১ জন ডেঙ্গু রোগী।

দেখা গেছে, জেলায় প্রতিনিয়ত ডেঙ্গুর সংক্রমন বাড়ায় সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে হাসপাতালে নতুন আরেকটি ডেঙ্গু ইউনিট খোলা হয়েছে। এ নিয়ে এ হাসপাতালে ২৪টি এবং ৬ উপজেলায় আরও ৩০ বেডসহ মোট ৫৪টি শয্যা চালু করা হয়েছে। তাছাড়া চলতি মাসে জেলার ৬টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫৭ জন রোগী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৩০ জন।

এদিকে ডেঙ্গুর সংক্রমন রোধে ভোলা পৌরসভার পক্ষ থেকে শুরু করেছে মশক নিধন কার্যক্রম।
সকাল থেকেই ভোলা হাসপাতাল চত্বরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ফগার ওই স্প্রে মেশিন দিয়ে চলছে মসক নিধন কার্যক্রম।

ভোলা পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, ৬ টি ফগার ও ৩টি স্প্রে মেশিন দিয়ে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে একযোগে চলছে মশক নিধন কার্যক্রম। সোমবার পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ওয়ার্ডেই চলবে এই মশক নিধন কার্যক্রম।

তবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে ফগার মেশিন ও স্প্রে দিয়ে ঔষধ ছিটানোর কার্যক্রমে ফাঁকিবাজের অভিযোগ করেছেন পৌর এলাকার বিভিন্ন নাগরিকরা। ৭নং ওয়ার্ডের বিএবিএস রোডের বাসিন্দা মীর মনিরুল ইসলাম বলেন, অনেক সময়ই পৌরসভার লোকজনকে মশক নিধনের জন্য বিভিন্ন দিকেই স্প্রে করতে দেখা যায়। কিন্তু তারা নাম মাত্রই স্প্রে করে যায়। এক জায়গায় করলে চার জায়গায় করে না। মুসলমান পাড়ার বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, স্প্রে করতে গিয়েও সেখানে করছে তারা স্বজনপ্রীতি। এক বাড়ির মধ্যে সামনে পিছনের চতুরদিকে করলেও পাশেরই আরেক বাড়িতে পারতে প্রবেশই করেনা। যদি তাদেরকে ডেকে নিয়ে এডভান্স হাতে চা পানির খরচা দেওয়া হয়, তাতে করে খুশি মনেই দেখা যায় ওই বাড়িতে ভালোভাবে স্প্রে করে অন্যত্র চলে যায়। একইভাবে মশক নিধনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মাঠ কর্মীদের কাজের অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন পৌর এলাকার নাগরিকদের আরো অনেকে।

যদিও অতীতের চেয়ে বর্তমানে মশক নিধন অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে এমনটি দাবী করে ভোলা পৌরসভার জননন্দিত মেয়র আলহাজ্ব মোঃ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আধুনিক ফগার ও স্প্রে মেশিন দ্বারা মশন নিধন অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে। আশা করছি আমাদের এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দ্রুতই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়ে ভোলার সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামান বলেন, আমরা করোনা ইউনিটগুলোকে ডেঙ্গু ইউনিট হিসাবে চালু করেছি। এর সাথে রোগীদেরকেও দেয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় সেবা।

একই কথা জানিয়ে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ায় আরও একটি ডেঙ্গুর ইউনিট খোলা হয়েছে। জুলাই মাসে এ পর্যন্ত ৯৭ জন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আরো ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। সামনের দিনগুলোতে এর সংখ্যা আরো কমে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং
error: Content is protected !!